অফিসের মধ্যেই মা.রধ.র! ভিডিও পোস্ট করে বিজেপিকে কটাক্ষ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

জনসাধারণের অভিযোগ প্রতিকার সভা পরিচালনা কাজের মাঝেই হঠাৎ সেখানে ঢুকে পড়েন কিছু বহিরাগত। টেনে হিঁচড়ে বার করে নিয়ে আসা হয় ওড়িশার এক শীর্ষ আধিকারিককে। তার পরেই চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। কিল, চড়, ঘুষি, লাথি বাদ দেওয়া হয়নি কিছুই। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার রাজধানী শহরের। এমনকি সেখানে কেউই সুরক্ষিত নন, এমনটাই মন্তব্য ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের।
জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ভুবনেশ্বর পুরসভায় জনসাধারণের অভিযোগ প্রতিকার করার কাজ চলছিল। সেই সময়ই পুরসভার মধ্যে ঢুকে পড়েন বহিরাগত পাঁচ যুবক। এরপরই পুরসভরা অ্যাডিশনাল কমিশনার রত্নাকর সাহুকে হেনস্তা করতে শুরু করেন তাঁরা। ওই সরকারি আধিকারিকের অভিযোগ, প্রথমে তাঁকে বলা হয় তিনি কেন ‘জগ ভাই’(বিজেপি নেতা জগন্নাথ প্রধান)-এর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। সেই অভিযোগ অস্বীকার করলে তাঁকে হেনস্তা করতে শুরু করে অভিযুক্তরা। এমনকী মারতে মারতে ওই সরকারি আধিকারিককে একটি গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
আধিকারিকদের দাবি, ওই হামলাকারীরা তাঁকে জোর করে তাদের গাড়ির কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলেও দাবি করেছেন ওই আধিকারিক। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। তাঁর অফিস চেম্বারে জনা ছয়েক যুবক, পুরসভার এক কাউন্সিলারের সঙ্গে ঢুকে পড়ে তাঁকে হেনস্থা করে।
সোমবারের এই ঘটনায় সেই রাজ্যের সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ক। ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই ঘটনার ভিডিয়ো তিনি হতবাক। এই ‘লজ্জাজনক আক্রমণের পরিকল্পনাকারী এবং ষড়যন্ত্রকারী রাজনৈতিক নেতাদের’ বিরুদ্ধে অবিলম্বে এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির কাছেও দাবি রেখেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি লেখেন, ‘নিজের অফিসেই একজন সিনিয়র সরকারি আধিকারিক সুরক্ষিত নন। তাহলে এই রাজ্যের সাধারণ নাগরিকরা সরকারের কাছ থেকে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কী আশা করবেন?’





