
ফের রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। বর্ষা এলেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে দেশ জুড়ে। বিশেষত বাংলা জুড়ে বর্ষায় দেখা যায় এই ডেঙ্গুর উদ্বেগ বাড়ছে। বছরের অন্যান্য সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ এতটা না থাকলেও, বিশেষ করে বর্ষায় সাধারণ মানুষকে চিন্তায় ফেলে দেয় এই বাড়তি অসুখ ডেঙ্গু। বর্ষা আসে, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে।

যার জেরে ছোট থেকে ব র সকলেই আক্রান্ত হয়। কেউ প্রাণ বাঁচিয়ে ফায়ার আসে। কেউ আবার বলি হয় এই ডেঙ্গুর। তবে কিভাবে হয় এই ডেঙ্গু ? কোন মশার কামড়ে ? কিভাবে দেহে সংক্রমিত হয় এই ডেঙ্গুর বিষ ?
ডেঙ্গু জ্বর হয় এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে। এই মশা ডেঙ্গু ভাইরাসে সংক্রামিত থাকে এবং যখন এটি কোনো ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন সেই ব্যক্তি ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে. এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায় এবং পরিষ্কার বা বদ্ধ পানিতে ডিম পাড়ে। তাই, মশা জন্মানোর স্থান ধ্বংস করা এবং মশা থেকে নিজেকে রক্ষা করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়. ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে – হঠাৎ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, মাংসপেশী ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব, এবং শরীরে ফুসকুড়ি. .

চারটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ডেঙ্গু ভাইরাস রয়েছে, যাদের ডেঙ্গু সেরোটাইপ বলা হয়। যদিও সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠা একই ডেঙ্গু সেরোটাইপ থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, তবে পরবর্তীতে ভিন্ন সেরোটাইপ দ্বারা আক্রান্ত হলে এটি গুরুতর ডেঙ্গুর ঝুঁকিও বাড়ায়।ডেঙ্গু হলো বিশ্বের সবচেয়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
এর প্রাদুর্ভাব সাধারণত মৌসুমি হয়, বর্ষাকালে এবং পরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গুকে জনস্বাস্থ্যের জন্য শীর্ষ দশ হুমকির মধ্যে একটি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে।





