কোন্নগরে তৃণমূল নেতা খুনে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি

কোন্নগরে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়ে রয়েছে রাজ্য-রাজনীতি। এবার বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে কুখ্যাত গ্যাংস্টার তথা বাম আমলের ‘ত্রাস’ বাঘাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হল মোট চারজনকে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
কোন্নগরে তৃণমূল নেতা খুনের পর ফের এলাকায় বাঘার বাড়বাড়ন্তে আতঙ্কে দিন কাটাত স্থানীয়রা। পুলিশের জালে বাঘা ধরা পড়তে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তদন্ত করে পুলিশ জানতে পারে জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই তৃণমূল নেতাকে খুন হতে হয়েছিল।
সূত্রের খবর, এলাকার একটি সংস্থার জমি বিক্রি করা নিয়ে পঞ্চায়েতে মতানৈক্য তৈরি হয়েছিল। জমি বিক্রির সপক্ষে পঞ্চায়েতের প্রায় সকলে থাকলেও বিরোধিতা করেছিলেন কোন্নগরের কানাইপুরের নিহত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তী। এটাই নিজের জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন তৃণমূল নেতা। যার জন্য প্রাণটাই চলে গেল তাঁর।
এই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তারা হল – বিশ্বনাথ দাস ওরফে বিশা, বিশ্বজিৎ প্রামাণিক ও দীপক মণ্ডল। এদের মধ্যে বিশ্বনাথ দাস ব্যবসায়িক পার্টনার ছিল নিহত তৃণমূল নেতার। সে কানাইপুরের বাসিন্দা। বিশা বারাসত ও শাসনের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ ও দীপককে ৩ লক্ষ টাকা সুপারির বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি হিসাবে নিয়োগ করেছিল। এবার বাম আমলের ‘ত্রাস’ বাঘাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।





