ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে, আনুষ্ঠানিক ভাবে ঢুকল বর্ষা!

অবশেষে বর্ষা ঢুকল দক্ষিণবঙ্গে। রাজ্যে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টি।যার জেরে তাপমাত্রা কমবে বেশ কিছুটা। কলকাতা-সহ দক্ষিণের জেলাগুলিতে রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝড়ের পূর্বাভাস। কলকাতায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে থাকবে ভ্যাপসা গরমও।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭৫ থেকে ৯১ শতাংশ।আগামী দুদিনে তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত শহরে এই আবহাওয়া চলতে পারে। একই পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারে। এ ছাড়া সোমবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে। এই জেলাগুলিতে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।

অপরদিকে উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে সপ্তাহ জুড়েই। রবিবার দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ–সহ ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে। যার কারণে তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা-সহ অন্যান্য নদীর জলস্তর বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কাও রয়েছে। তা ছাড়া, পার্বত্য এলাকায় ধসের আশঙ্কাও থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ফসলের। কুয়াশাজনিত কারণে দৃশ্যমানতা কমতে পারে। তাই সড়কপথে যান চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





