কী এমন রহস্য লুকিয়ে লাবুবু পুতুলে? ভাইরাল নয়া আ.তঙ্ক

‘ওরে পুতুল বাহারি পুতুল…’, সমাজমাধ্যম থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ট্রেন্ডিং গান থেকে কচিকাঁচাদের আবদার, কেবলমাত্র খেলার সামগ্রী নয়, পুতুল ছোটবেলার স্মৃতি। শৈশবকালে খুব কম জনই বোধহয় পুতুল নিয়ে খেলেনি। আবার এই পুতুলকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে এ দেশের নানা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এবার সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শোরগোল ফেলেছে অদ্ভুত আকৃতির লেবুবু পুতুল। হলিউড থেকে শুরু করে বলিউড, টলিউড সবাই মেতে উঠেছে ‘লাবুবু’ জ্বরে।
গড়ন এবং ধরণ আর পাঁচটা পুতুলের মত হলেও তার মধ্যে সেই মিষ্টি ভাব অনুপস্থিত। আসলে তার গড়ন অনেকটাই ‘কিম্ভূত’। বড় বড় চোখ, খরগোশের মতো কান এবং তীক্ষ্ণ হাসিমুখের এই ‘লাবুবু’ পুতুলে মেতে উঠেছেন মূলত ‘জেন জি’রা। হাজার হাজার টাকা খরচ করে সেই পুতুল কিনতে আগ্রহী একাধিক মানুষ। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডেও রয়েছে এই পুতুল। ‘লাবুবু’ সংগ্রহে রাখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ নেটব্যবহারকারী। কিন্তু এই পুতুল যে ভয়ানক তার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল জনপ্রিয় একটি কার্টুন শো। বাড়িতে সেই পুতুল রাখলে নাকি মহাবিপদ। নেগেটিভ শক্তি বয়ে নিয়ে আসতে পারে ‘লাবুবু’ পুতুল। বহু বছর আগে আমেরিকার ‘দ্য সিম্পসন্স’-এর একটি পর্বে নাকি এর ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্কও করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় সেই পর্বের কিছু অংশের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে।
লাবুবু পুতুলের জন্ম চিনে। এই পুতুল দেখতে খানিকটা আলাদা। লাবুবু-কে ‘এলভিশ’ হিসেবে দেখা হয়। লাবুবু তৈরি করেছেন হংকং-এর শিল্পী কাসিং লুং। ইউরোপীয় পুরাণে এধরেণর চরিত্রের কথা র্দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত হয়ে এসেছে। সেই চিত্রকল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই লাবুবু বানিয়েছেন কাসিং। ২০১৯ সালে চিনের খেলনা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘পপমার্ট’ প্রথম লাবুবু আকৃতির পুতুল বাজারে আনে।
লাবুবু পুতুলের রমরমা বেড়েছে সম্প্রতি। একটি লাবুবু-র দাম ভারতীয় মুদ্রায় হতে পারে ২৫০০-৩০০০ টাকার মধ্যে। এখনও পর্যন্ত নাকি লাবুবু সিরিজের প্রায় ৩০০-র বেশি পুতুল বাজারে এসেছে। বাজারে কমপক্ষে ৩০০টি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ‘লাবুবু’ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘লাবুবু ইনটু এনার্জি’, ‘ফল ইন ওয়াইল্ড’, ‘টাইম টু চিল’, ‘লেটস চেকমেট সিরিজ়, ‘ম্যাকারন’, ‘প্যাস্টেল কালার’। যাদের একসঙ্গে বলা হয় ‘দ্য মনস্টার্স’।





