
আজ অবশেষে প্রকাশিত হল জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফলাফল। তিনমাস অপেক্ষার পর ওবিসির গেরো কাটিয়ে অবশেষে বেরোল জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফল। প্রকাশিত হয়েছে মেধা তালিকাও। তারপরেই জানা গেল জয়েন্টে দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ ইতিমধ্যেই রাজ্য ছেড়েছেন। এমন নজরকাড়া ফল জেনে খুশি হওয়া ছাড়া আর কিছুই এসে যায় না তাঁদের। আর প্রথম হওয়া অনিরুদ্ধ চক্রবর্তীও আইআইটি খড়্গপুরে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছেন। দ্বিতীয় সাম্যজ্যোতি এখন বম্বে আইআইটির ছাত্র। মা ডঃ সোমা বিশ্বাস ছেলের ফলে দারুন খুশি।
মেধা তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা রুবি পার্ক দিল্লি পাবলিক স্কুলের ছাত্র দিশান্ত বসু জাতীয় স্তরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউটস অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ আয়োজিত আইসার অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে প্রথম হন। অন্য সর্বভারতীয় পরীক্ষাতেও ভাল ফল ছিল তাঁর। স্বপ্ন ছিল বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সে পড়াশোনা করার। সে স্বপ্ন সার্থক হয়েছে। রাজ্য জয়েন্টের ফলের অপেক্ষা না করে ইতিমধ্যেই সেখানে পদার্থবিদ্যা নিয়ে স্নাতকে ভর্তি হয়েছেন দিশান্ত।
১১৭ দিন অপেক্ষার পর অবশেষে শুক্রবার আদালতের হস্তক্ষেপে প্রকাশিত হল ফল। এ ঘটনা একেবারে নজিরবিহীন বলেই দাবি রাজ্যের শিক্ষা মহলের একাংশের। প্রতিবার যেখানে কাউন্সেলিং-ভর্তি প্রক্রিয়া ইত্যাদি পেরিয়ে এতদিনে ক্লাস শুরু হয়ে যায়, সেখানে এবার ফল বেরোতেই মাসের পর মাস কাবার। স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উদ্বেগে কাটছিল প্রত্যেকটা পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকদের। ধৈর্য রাখতে না পেরে সন্তানদের ভবিষ্যত ভেবে অনেকেই ছুটেছেন বেসরকারি কলেজে।
কয়েকবছর ধরেই এ রাজ্যের মেধাবী তো বটেই মধ্যমেধার অনেক পড়ুয়াও ভবিষ্যত সুনিশ্চিত করতে উচ্চমাধ্যমিক শেষ হতেই রাজ্য ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার ফল প্রকাশের গেড়োয় রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির স্বপ্ন দেখা পড়ুয়ারাও রাজ্যে বা ভিনরাজ্যে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে গেছেন।





