নিজের বাড়িতে আক্রান্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী! চাঞ্চল্য রাজধানীতে

সাতসকালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ঢুকে হামলা! মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর সিভিল লাইন্সের বাসভবনে ঢুকে তাঁকে মারধর করার অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। আহত মুখ্যমন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চলছে তদন্ত!
সূত্রের খবর, সিভিল লাইনস এলাকায় মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তের সরকারি আবাস। সেখানেই সাপ্তাহিক ‘জন শুনানি’ চলছিল। জানা যায়, ওই ব্যক্তি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু নথি দেওয়ার আবেদন জানান। আর তা দেওয়ার পরেই অতর্কিতে মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ওই যুবক প্রথমে চিৎকার করে গালিগালাজ করতে শুরু করে দেন। রেখার চুল টেনে ধরে তাঁকে চড়ও মারেন ওই যুবক। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীকে চড় মারা হয়। এমনকী চুল ধরেও টানা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পরেই হাতেনাতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন নিরাপত্তায় থাকা কর্মীরা।
অন্যদিকে ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে একটি চিকিৎসকদের দল ছুটে যায় । তবে রেখা গুপ্তের চোট খুব একটা গুরুতর নয় বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে অভিযুক্ত যুবকের কাছে আদালত সম্পর্কিত কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। আপ নেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মার্লেনা বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর উপর এই হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। গণতন্ত্রে মতবিরোধ এবং প্রতিবাদ থাকবে, কিন্তু তাই বলে হিংসার কোনও জায়গা নেই। আশা করি দিল্লি পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে।’’
অপরদিকে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি দেবেন্দ্র যাদব বলেন, ”এই ঘটনা খুবই নিন্দাজনক। মুখ্যমন্ত্রী গোটা দিল্লিকে নেতৃত্ব দেন।” একই সঙ্গে মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে। কংগ্রেস নেতার কথায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী যদি নিরাপদ না হন, তাহলে একজন সাধারণ মহিলা কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?





