বিদেশ

পঞ্চম দিনে গড়াল ইরান-ইজরায়েল যু*দ্ধ! আশঙ্কা বাড়ছে পরমাণু যু*দ্ধের!

পঞ্চম দিনে গড়াল ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ। সোমবার কানাডায় জি-৭ শীর্ষবৈঠকে উপস্থিত দেশগুলির নেতারা একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে ঘোষণা করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, পশ্চিম এশিয়ায় অবিলম্বে উত্তেজনা কমানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা।  Vo – ইরান-ইজরায়েল সংঘাতে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। রবিবার সকাল থেকে শুরু করে সারারাত আকাশপথে হামলা চলেছে ইরানে। তার জেরে ইরানে মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৩০। ইজরায়েলেও ১৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানের অস্ত্র উৎপাদনকারী ভবন এবং বিদেশমন্ত্রকের ভবনে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। তার জেরে মৃত্যু হয়েছে ইরান রেভোলিউশনারি গার্ডের গোয়েন্দাপ্রধানেরও।অন্যদিকে ইজ়রায়েলে নতুন করে আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। জানা গিয়েছে, হাইফা এবং তেল আভিভ এলাকা লক্ষ্য করে পর পর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান। ইরান জানিয়েছে, ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে নবম আক্রমণ

শুরু হয়েছে। এই আক্রমণে ইজ়রায়েলের বাজ়ান গ্রুপ তেল কোম্পানির তিন কর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তেহরানের স্পষ্ট দাবি, আত্মরক্ষার নামে ইজরায়েল যেভাবে আক্রমণ চালিয়েছে সেটার পালটা জবাব ইরান যতক্ষণ না দিচ্ছে ততক্ষণ সংঘর্ষবিরতি নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। এই পরিস্থিতিতে আশংকা বাড়ছে পরমাণু যুদ্ধের। এমনকি সব জল্পনা উসকে এবার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে তেহরান! পাশাপাশি ইজ়রায়েল যদি তেহরানে পারমাণবিক হামলা চালায়, তবে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশে পারমাণবিক বোমা ফেলবে পাকিস্তান! ইরান-ইজ়রায়েল উত্তেজনার আবহে এ বার হুঁশিয়ারি দিয়ে এমনটাই জানালেন ইরান সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক। অন্যদিকে ইজ়রায়েল জয়ের পথে এগোচ্ছে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। তিনি বলেন, “আমরা জয়ের পথে এগোচ্ছি। আমরা আমাদের দু’টি মূল লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে— পারমাণবিক হুমকি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিনাশ করা।”

এই আবহে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানে আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল। এরই মধ্যে সোমবার থেকে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের আর্মেনিয়া হয়ে ইরান থেকে সরিয়ে আনা শুরু হয়। কিন্তু তার পরের দিনই ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য় বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস। মঙ্গলবার দূতাবাসের তরফ থেকে বলা হয়, দেরি না করে করে প্রত্যেকে যেন তেহরান ছাড়েন। যাঁদের সামর্থ্য রয়েছে, তাঁরা যেন নিজেরাই অন্য কোনও শহরে চলে যেতে পারেন। পাশাপাশি আকাশপথ বন্ধ থাকায় তবে স্থলবন্দর দিয়ে ইরান ছাড়তে পারে ভারতীয় পড়ুয়ারা। সে ক্ষেত্রে আজ়ারবাইজান, তুর্কমেনিস্তান এবং আফগানিস্থান হয়ে স্থলপথে ভারতে ফিরতে পারবেন ওই পড়ুয়ারা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button