বই খুলে বসেছিল পড়ুয়ারা, হঠাৎই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ছাদ! মৃ*ত ৪ নিষ্পাপ প্রাণ!

বই খুলে বসেছিল পড়ুয়ারা। হঠাৎই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ছাদ।মর্মান্তিক ঘটনা কেড়ে নিল চার নিষ্পাপ প্রাণ।দিনের শুরু। সকালে অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল পড়ুয়ারা। বই খুলে বসেওছিল। কিন্তু তার মাঝেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল স্কুলবাড়ি। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, রাজস্থানের মনোহর থানার পিপলোদি সরকারি বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত চার পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সকাল ৮.৩০টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়। জানা গেছে একতলা ওই স্কুল বাড়িটি ভেঙে পড়ার সময়, সেখানে শিক্ষক ও কর্মচারী ছাড়াও প্রায় ৪০ জন শিশু বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিল।
ভেঙে পড়া স্কুলবাড়ির নীচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছে বহু পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, বাড়িটি ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে জেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ত্রাণ দলকে উদ্ধার অভিযানের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলের ধ্বংসস্তূপ সরাতে এখনও পর্যন্ত চারটি জেসিবি মেশিন আনা হয়েছে। প্রয়োজনে সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ামাত্র স্কুলের বাইরে ভিড় করেছেন অভিভাবকেরা। সকলের চোখেমুখে আতঙ্ক। নিজেদের সন্তানদের খোঁজে অনেককেই এ দিক-ও দিক ছোটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে। আহতদের মনোহর থানা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে গুরুতর আহতদের ঝালাওয়াড়ের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করছেন জেলা আধিকারিকেরা।সূত্রের খবর, ভেঙে পড়া স্কুলটির অবস্থা বহু দিন ধরে জরাজীর্ণ। বার বার অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি, আর তার জেরেই অকালে ঝরে পড়লো এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণ!
ঝালাওয়াড়ের পুলিশ সুপার (এসপি) অমিত কুমার সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় পর পরই চার জন শিশুর মৃত্যু মিলেছিল। আহত আরও কয়েক জন। তাদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের স্থানীয় হাসপাতাল থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে।





