
স্বাভাবিক ছন্দে কী ফিরবে কসবা আইন কলেজ? ইতিমধ্যেই এই প্রশ্ন উঠেছে একাধিক মহলে। কলেজের মধ্যে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ। রাজ্যজুড়ে শোরগোলের মধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলেজের পরিচালন সমিতি। অবশেষে আদালতের নির্দেশে সোমবার থেকে খুলছে এই আইন কলেজ। তবে কলেজের ইউনিয়ন রুম তালাবন্ধই থাকবে।

জানা গিয়েছে, সোমবার, অর্থাৎ ৭ জুলাই থেকেই কলেজের পঠনপাঠন চালু হতে চলেছে। এই নিয়ে কলেজের পরিচালন সমিতির বৈঠকও হয়েছে। ওই দিন সকাল সাতটা থেকে ক্লাস শুরু হবে। দ্রুত কলেজের ওয়েবসাইটে পঠনপাঠন শুরুর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তবে, তদন্তের স্বার্থে কলকাতা পুলিশের তরফে মূল ঘটনাস্থল অর্থাৎ ইউনিয়ন রুম, গার্ডরুম ‘সিল’ করে রাখা হবে।

পূর্বে কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঠিক কেন নেওয়া হল, তা নিয়ে পরিচালন সমিতির কাছে রিপোর্টও তলব করেছিলেন তিনি। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কলেজ ক্যাম্পাসকে সিল করে রেখেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তার উত্তরে জানানো হয়েছিল। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এবার হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর খুলে যাচ্ছে এই আইন কলেজ।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন, শুক্রবার সকাল থেকে কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। নির্যাতিতা দাবি করেন, ২৫ জুন, বুধবার সন্ধ্যায় তাঁকে ডাকা হয়েছিল কলেজে। অভিযোগ, সেখানে গেলে তাঁর উপর চড়াও হন তিনজন। গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। কাউকে কিছু না বলতে হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই ছাত্রী কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে, লালবাজার সূত্রের খবর, প্রথমে বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’-এর পাঁচজন সদস্য কাজ শুরু করেন। এদিন ‘সিট’-এর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়। এখন ন’জন ‘সিট’ সদস্য তদন্ত করছেন। নির্যাতিতা ছাত্রী ও তিন অভিযুক্তর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।





