যত্ন নিয়েও গোছা গোছা চুল উঠছে? রোজ এই ৫ ভুলে চুল পড়ার সমস্যা এত বেড়ে গিয়েছে!এর সমাধান কী?

চুল পড়া কি অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে? দামি শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দিয়েও যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তা হলে বুঝতে হবে কিছু ভুল হচ্ছে। সামগ্রিক জীবনশৈলী, খাওয়াদাওয়ার অনিয়মের মতো আরও নানা কারণে চুল উঠে যেতে পারে। আবার কেশসজ্জায় কিছু ভুলের কারণেও চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে।
ভিজে চুল আঁচড়ালে চুলের গোড়ার দুর্বল হয়ে যায়। ফলে চুল পড়ে যায়। এই কারণেই ভিজে চুল আঁচড়াতে বারণ করা হয়। তাড়াহুড়োয় অনেকেই এই ভুল করে ফেলেন। শ্যাম্পু করার পর চুল ভাল করে ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে তবেই আঁচড়ানো উচিত।
শক্ত করে চুল বাঁধেন কি? কাজের সময় বার বার চুল মুখে এসে পড়ে বলে শক্ত করে বেঁধে রাখেন। এই অভ্যাস চুলের জন্য একেবারে ভাল নয়।
কতটা তেল মাখছেন তা-ও গুরুত্বপূর্ণ। চুল কতটা লম্বা, ঘনত্ব কেমন, সেই বুঝে তেলে লাগাতে হবে। একগাদা তেল জবজবে করে লাগিয়ে রাখলে চুলের পুষ্টি তো হবেই না, উল্টে ক্ষতি হবে।
হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনারের অত্যধিক ব্যবহারে চুল বেশি ঝরতে শুরু করে। তাই এই ধরনের যন্ত্র যত কম ব্যবহার করবেন, ততই চুলের জন্য ভাল। যন্ত্রের তাপে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়। সেই কারণেই তা ঝরে পড়ে।
শরীরে ভিটামিন, আয়রন, জিঙ্কের ঘাটতি নানা অসুখ ডেকে আনে। চুল প়ড়ার নেপথ্যে এটাও একটা কারণ হতে পারে। প্রোটিনের ঘাটতিও অত্যধিক চুল পড়তে পারে।
তবে এর সমাধান কী?
দামি দামি তেল, শ্যাম্পু সব ফেল! একটি তেলে কাজ হবে ‘ম্যাজিকের মতো’, কীভাবে মাখবেন জেনে নিন।আর এই অলৌকিক গুণসম্পন্ন উপাদানটি হল জিঞ্জার অয়েল বা আদার তেল। এই জিঞ্জার অয়েল খুশকি এবং চুল ঝরার সমস্যা নিমেষে কমিয়ে দিতে পারে।সেই সঙ্গে এই তেল স্কাল্পের স্বাস্থ্যও বজায় রাখে। শুধু তা-ই নয়, জিঞ্জার অয়েল চুলের গোড়া মজবুত করতেও সহায়ক।
চুল পরিষ্কার করতে হবে ভালোভাবে।চুলে তেল দেওয়ার পর চুল ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করা উচিত। এর জন্য প্রথমে টক দই চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ভাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এতে চুলের জেল্লা ফিরবে।
চুলকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ডিপ কন্ডিশনিং জরুরি। ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে চুলকে বাঁচাতে ভাল কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এটা অ্যাক্টিভ এক্সটার্নাল ব্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে।





