সং*ঘর্ষের আঁচে পু*ড়ছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া, যু*দ্ধ থামানোর আর্জি কম্বোডিয়ার

সংঘর্ষের আঁচে পুড়ছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া। ইতিমধ্যেই থাইল্যান্ড সীমান্তে বসবাসকারী ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় থাই সীমান্তসেনা কমান্ডার কম্বোডিয়ার নিকটবর্তী থাইল্যান্ডের আটটি জেলায় মার্শাল ল ঘোষণা করেছে। কারণ হিসেবে কম্বোডিয়ার সেনা থাই ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা কথা বলা হয়েছে।
তিনদিন গোলাবর্ষণের পর অবশেষে শনিবার থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানায় কম্বোডিয়া। রাষ্ট্রসংঘে কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত ছেয়া কেও বলেন, “থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমরা নিঃশর্তভাবে সংঘর্ষবিরতির আর্জি জানিয়েছি। দুই দেশের বিরোধের আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই।” যদিও থাইল্যান্ডের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষের জেরে দু’দেশেই বইছে রক্তস্রোত। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩০ জনের।
অপরদিকে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যুদ্ধের মাঝে দেশবাসীর জন্য নতুন সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারত। তাতে জানানো হয়, থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া সীমান্তে যে উত্তেজক পরিস্থিতিতে থাই প্রশাসনের আপডেট না দেখে ভারতীয়রা যেন সে দেশে যাত্রা না করেন। থাইল্যান্ডের কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম আগেই জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হয়ে গিয়েছে। সে দেশের ২০টি এলাকায় যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে খোদ থাই সরকারই। এই তালিকায় রয়েছে উবন রাতচাথানি, সুরিন, সিসাকেত, বুরিরাম, সা কায়েও, চান্তাবুরি এবং ট্রাট।
প্রসঙ্গত, ‘এমারেলড ত্রিকোণ’ নামের একটি এলাকা নিয়ে দুই দেশের সংঘাত দীর্ঘদিনের। এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাচীন মন্দির। ওই মন্দিরগুলিকে নিয়ে সংবেদনশীল কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড এবং লাওসের সাধারণ মানুষেরা। এলাকাটির দখল নিয়ে বছর পনেরো আগেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে। নতুন করে গত মে মাসে সংঘর্ষ হয়। এরপর বৃহস্পতিবার ভোররাতে ফের অশান্তি ছড়িয়েছে দুই দেশের সীমান্তে।





