
প্রাক্তন কমান্ডই নাকি এখন জঙ্গি। কথা বলছি পাকিস্তানের।.. পাকিস্তানের এখন যে জঙ্গি, সেই আগে ছিল কমান্ড। থামলে কি পাকিস্তান জঙ্গি আর সেনার মধ্যে পার্থক্য বোঝে না ? যার জেরেই কি পাকিস্তানের আজ এই হাল। পহেলাগাম হামলার পর মানে ২২ সে এপ্রিলের ঘটনার পরই পাকিস্তানকে করা জবাব দিয়েছিল, অপারেশন সিঁদুরের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানকে বুঝিয়েছিল কি হয় ঘরে ঢুকে মার।

আর তাতেই কার্যত নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল পাকিস্তানের। অনুরোধ করে অপারেশন সিঁদুর স্থগিত রাখতে। সি অনুরোধে সারা দিয়ে অপারেশন সিঁদুর স্থগিতও রেখেছিল ভারত সরকার। এবার শ্রাবন মাসের শুরুতেই শ্রীনগর সেনা শুরু করেছে ‘অপারেশন মহাদেব’ . যার জেরে ২ সে এপ্রিলে কাশ্মীরের বৈসরণ উপত্যকায় পাকিস্তানের জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৪ জঙ্গির মধ্যে নিহত হয়েছে ৩ জঙ্গি। জানা যায় এই ৩ জঙ্গি ছিল লস্কর-ই- তৈবা ঘনিষ্ঠ। একই সঙ্গে এই নিহত ৩ জঙ্গিদের মধ্যে এক জন ছিল পহেলগাম হামলার মাস্টারমাইন্ড।বিভিন্ন সূত্রে খবর, নিহত সুলেমানের আরও একটি নাম ছিল। হাসিম মুসা। লশকর-এ-ত্যায়বার অন্যতম ওই সদস্য পাকিস্তানি সেনার স্পেশ্যাল সার্ভিস গ্রুপের (এসএসজি) কমান্ডো ছিল। পরে রাষ্ট্রপুঞ্জ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের হাত ধরে নাম লেখিয়েছিল জঙ্গি সংগঠনে। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার পরেই হামলার নেপথ্যে সুলেমানের বড় ভূমিকার কথা জানতে পারে ভারতীয় সেনা।
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ঘোষণা করে, সুলেমান সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে ২০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। অবশেষে সোমবার শুরু হয় ‘অপারেশন মহাদেব।’সোমবার সকাল থেকে শ্রীনগরের অদূরে মহাদেব পর্বতের পাদদেশে দাচিগাম জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছিল সেনা এবং পুলিশ। সেই কারণে অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন মহাদেব’। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে কয়েক দিন ধরেই দাচিগামের জঙ্গলে নজরদারি চালাচ্ছিল সেনা। অবশেষে দুই সঙ্গীর সঙ্গে নিহত হয় সুলেমানও।
গতকাল অর্থাৎ শ্রাবনের দ্বিতীয় সোমবার থেকেই কাশ্মীরে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন মহাদেব’ , যার জেরে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী হামলার উত্তর দিয়ে ভারত সরকার। এর আগে ‘অপারেশন সিঁদুর’, এরপর ‘অপারেশন মহাদেব’ অর্থাৎ ভারতের তরফে একের পর এক অপারেশন, যা কার্যত পাকিস্তানের মুখ বন্ধ করিয়ে দিতে পারে, তাদের মধ্যে সবকটি এককথায়, সাক্সেসফুল।





