স্নানযাত্রা ঘিরে মায়াপুর-ইসকনে বিপুল জনসসমাগম

সাড়ম্বরে পালিত হল মায়াপুর ইসকন জগন্নাথ স্নানযাত্রা উৎসব। মায়াপুর চন্দ্রধন মন্দির থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড়। মায়াপুর চন্দ্রধন মন্দির থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকেই ভক্তের ভিড়। দাবদাহ উপেক্ষা করেই দীর্ঘ লাইন দিয়ে জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর জন্য হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত সকাল থেকে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। স্নানযাত্রা উৎসবে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা দেবীর বিগ্রহকে ডাবের জল, গঙ্গা জল, দুধ ও দই দিয়ে স্নান করানো হয় ভক্তি সহকারে।

কথিত আছে আজকের স্নানযাত্রার পরেই জগন্নাথের শরীরে জ্বর আসবে। তিনি গৃহবন্দী হয়ে থাকবেন। রথের দিন রাজ বেশে রাজ রথে করে পুনরায় ভক্তদের মাঝে অবতীর্ণ ও পূজিত হবেন। বলা যেতে পারে, নদিয়া জেলার মায়াপুরের সবথেকে বড় উৎসব জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব । এ দিন জগন্নাথ দেবকে স্নান করানো হয় ভক্তি সহকারে । প্রায় শতাধিক ভক্ত লম্বা লাইন দিয়ে ভক্তি সহকারে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নান যাত্রার জন্য জল নিবেদন করেন।

এদিন স্নানযাত্রা উপলক্ষে সমস্ত ভক্তদের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল ইসকনের তরফ থেকে। একইসঙ্গে বিশৃঙ্খলা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে শুরু হয়ে গেল স্নানযাত্রার মাধ্যমে রথের প্রস্তুতি। মায়াপুরের শাখা রাজাপুর জগন্নাথ দেবের মন্দির থেকে সুসজ্জিত রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা দেবীর আগমন ঘটে পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে ।





