ফের জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ! নির্দেশ রাষ্ট্রপতি ভবনের

আবারও অস্বস্তিতে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল আগেই। এবার বেনামি সম্পত্তি লেনদেন, কালো টাকার সাদা করা, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করার অভিযোগ উঠল বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় নিজের ও তাঁর মায়ের নামে একাধিক মূল্যবান সম্পত্তি কিনেছেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে রাজনৈতিক মহলে। যদিও, এই বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বিজেপির তরফে।

রাজ্য মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে গত ২ জুলাই এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপতি ভবনের আন্ডার সেক্রেটারি গৌতম কুমার একটি চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠিতে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বেআইনি লেনদেন, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জন ইত্যাদি সহ বিবিধ দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনও ই-মেলে অ্যাটাচ করে পাঠানো হয়েছে।

পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতি ভবনের সচিবালয় জানিয়েছে, এই সব অভিযোগ যেন খোঁজখবর করে দেখে নবান্ন। তার পর যথাযথ পদক্ষেপ করে। এ বিষয়ে দ্য ওয়ালের তরফে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এটা স্পূর্ণ মিথ্যে, তৃণমূলের চক্রান্ত। তৃণমূল চেষ্টা করছে এসব করার। এতে কিছু যাবে আসবে না। কিছু আটকাবে না। আমার পাঁচ পয়সারও বেনামী সম্পত্তি নেই।” আরএসএস-এর দীর্ঘদিনের কর্মী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একসময় সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে সিউড়ি কেন্দ্র থেকে দাঁড়ান। তবে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

এই মেল অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিবকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে অভিযোগের ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রশাসনিক ও আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে অভিযোগকারীকে জানানো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে দলীয় আস্থা ও নেতৃত্বের স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর তরফে বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়েছে।





