
চাঞ্চল্য কোচবিহারের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা-দুটো নাগাদ অন্বেষাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নিজের ঘরে দেখতে পান সহপাঠীরা। তার পরেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার এক ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। আত্মহত্যা না কি ওই ছাত্রীর মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
এবার কোচবিহার গর্ভমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর নাম অন্বেষা ধর (২০)। বাড়ি দুর্গাপুরে। তিনি ওই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তৃতীয় বছরের ছাত্রী ছিলেন। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এমজেএন মেডিক্যালে পাঠিয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই খবর দিয়েছে মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে? তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হস্টেলের একটি ঘরে অন্বেষার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান সহপাঠীরা। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায় তাঁরা। তড়িঘড়ি থানায় খবর দেওয়া হয়। অন্বেষাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই বিষয়ে কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলা পুলিস সুপার কৃষ্ণগোপাল মিনা জানিয়েছেন, ‘তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’
পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা-দুটো নাগাদ অন্বেষাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নিজের ঘরে দেখতে পান সহপাঠীরা। তার পরেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে। তবে প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যাই মনে হচ্ছে তদন্তকারীদের। কোচবিহারের এসসিপি কৃষ্ণ গোপাল মীনা জানান, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। তার পরেই এই ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য দেওয়া হবে পুলিশের তরফে।





