
হরিয়ানায় সরকারি হাসপাতালে ভুয়ো হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ। অন্য এক হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করতেন তিনি। তবে তিনিও নিজে এক জন চিকিৎসক। পুলিশ সূত্রে জানা যায় তিনি হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ নন। শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। হৃদ্রোগ বিশষজ্ঞ পঙ্কজমোহনের নাম ভাঁড়িয়ে চিকিৎসা করছিলেন। বিষটি প্রকাশ্যে আসতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় ওই চিকিৎসক যাঁদের অস্ত্রোপচার করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই নানা রকম সমস্যায় ভুগছেন। আবার কয়েকজন রোগীর মৃত্যুও হয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই থেকে ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই হাসপাতালে চিকিৎসা করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই হাসপাতালে আসা বন্ধ করে দেন। তার পরই চিকিৎসক পঙ্কজমোহন অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস দেন এবং ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এও অভিযোগ দায়ের করেন।





