মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদে নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে পিছু হটল নির্বাচন কমিশন! একাধিক দাবি নিয়ে নির্বাচন ভবনের পথে পাঁচ তৃণমূল নেতা

চলতি বছরে ভোটার তালিকার নিবিড় সমীক্ষা করার কথা ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয় অবৈধ ভোটারদের বাদ দিয়ে ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে সংশোধনের কাজ করা হচ্ছে। সেই কারণে বিভিন্ন রাজ্যের কাছে পাঠানো হয়েছে একটি ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’। এই নিয়ম নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলায় প্রয়োগের আগে টেস্ট ড্রাইভ করছে মোদি সরকার। নিবিড় সমীক্ষা করে ঘুরপথে এনআরসি আনার পথ প্রশস্ত করছে কেন্দ্র। এই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রতিবাদের কয়েক দিনের মধ্যে নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন।
অপরদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন থেকে শুরু করে ভুয়ো এপিক সংক্রান্ত সতর্কবার্তা-সহ একাধিক দাবি নিয়ে এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের তৃণমূল নেতারা। লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, ফিরবাদ হাকিম। থাকছেন রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইকও। জানা গিয়েছে, কমিশনের দপ্তরে সাক্ষাতের পর তাঁরা সাংবাদিক বৈঠক করবেন।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের কমিশনের আগের নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ১৯৮৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণস্বরূপ একটি নথি এবং তাঁদের বাবা কিংবা মায়ের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণ রয়েছে এমন একটি নথি জমা দিতে হবে।
এছাড়াও যে সব ভোটার ২ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখের পরে জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে নিজের জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রমাণ হিসাবে যে কোনও একটি নথি এবং বাবা-মায়ের জন্মতারিখ ও জন্মস্থান প্রমাণের নথি জমা দিতে হবে। যদি কারও বাবা কিংবা মা ভারতীয় না হন, সে ক্ষেত্রে তাঁর পাসপোর্ট ও সন্তান জন্মের সময়কার ভিসার কপি জমা দিতে হবে।





