Breaking NewsPOLITICS

কেন্দ্রের রিপোর্টে ‘এগিয়ে বাংলা’! রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রীর

দেশে উন্নয়নের মডেল বাংলা। আগেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রুপশ্রী, যুবশ্রী-সহ একাধিক প্রকল্প দেশের মধ্যে নজর কেড়েছে। এবার বাংলার সাফল্যকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের। বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে দেশকে পথ দেখানোর ক্ষেত্রে সেরার সেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, এমনটাই দাবি নীতি আয়োগের রিপোর্ট কার্ডের। নীতি আয়োগের সামারি রিপোর্টে বেকারত্ব দূরীকরণ নিয়ে বাংলার সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যখাতে বাংলার উন্নয়নের সাফল্যও রয়েছে এই রিপোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সাফল্যের কথা তুলে ধরে এক্সে বার্তা দিলেন। অভিনন্দন জানালেন এই সাফল্যের কারিগরদের।

এদিন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, নীতি আয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক সূচকগুলিতে, বিশেষ করে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাংলার পারফরম্যান্সকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই মর্মে তিনি তুলে ধরেন বাংলার সাফল্যের খতিয়ান। তিনি লেখেন, ২০২২-২৩ সালে রাজ্যের বার্ষিক বেকারত্বের হার ছিল মাত্র ২.২ শতাংশ, যা জাতীয় গড় ৩.২ শতাংশের থেকে ৩০ শতাংশ কম।

এই রিপোর্টে আরও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে বাংলার ইতিবাচক অবস্থান তুলে করে তিনি লেখেন, বাংলায় সাক্ষরতার হার (৭৬.৩ শতাংশ) জাতীয় গড়ের (৭৩ শতাংশ) থেকে বেশি। জাতীয় গড়ের তুলনায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে স্কুলছুটের হারও অনেক কম এবং পাসের হার বেশি।

অন্যদিকে আয়ুষ্কালও জাতীয় গড়ের থেকে বাংলায় (৭২.৩ বছর) বেশি। পুরুষ-মহিলার অনুপাতও উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো। পাশাপাশি প্রতি ১০০০ পুরুষের মধ্যে ৯৭৩ জন কন্যার জন্ম—জাতীয় গড়ের ৮৮৯-এর থেকে বেশি বাংলায়। বাংলা শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মের মধ্যে ১৯ জন এবং প্রতি মহিলার মধ্যে ১.৬ শিশু। উভয়ই জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো

জীবনযাত্রার মানেও ধারাবাহিক উন্নতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে পানীয় জলের উন্নত ব্যবস্থারও উল্লেখ রয়েছে। এগুলি উন্নয়নের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের অব্যাহত প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। এর বাস্তবায়নে যাঁরা অবদান রেখেছেন তাঁদের সকলকে অভিনন্দন। জয় বাংলা!’

এই নিয়ে প্রশাসনিক মহলের দাবি, কেন্দ্রীয় রিপোর্টে এই স্বীকৃতি বিরোধীদের সমালোচনাকে অনেকটাই ভোঁতা করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই রিপোর্টেরই প্রথম পাতায় ভারতের মানচিত্রে বাংলায় জায়গায় বিহার চিহ্নিত করা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button