শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে গেল নিমিশা প্রিয়ার ফাঁ.সি

শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে গেল নিমিশা প্রিয়ার ফাঁসি। এই খবর পেতেই স্বস্তির নিশ্বাস ভারতীয় নার্সের পরিবারের সদস্যদের। জানা যায় আজ ১৬ই জুলাই ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল নিমিশার। তবে গতকাল অর্থাৎ ১৫ই জুলাই এই নির্দেশ স্থগিত রাখা হয়। এই স্থগিতাদেশের নেপথ্যে রয়েছে দুই দেশের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। তাদের আলোচনায় জোট কেটেছে।
তবে ঠিক কি কারণে নিমিশা প্রিয়ার ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে ?…. কেরলের পালক্কাড়ের বাসিন্দা নিমিশা নার্সের কাজ নিয়ে ২০০৮ সালে ইয়েমেনে গিয়েছিলেন। পরে ২০১৭ সালে এক ব্যবসায়িক সঙ্গীকে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত হন নিমিশা। তাঁর ফাঁসির নির্দেশ দেয় ইয়েমেনের আদালত।
তবে এই নির্দেশ আসার পরেই নিমিশার পরিবারের তরফ থেকে সেই নির্দেশ খারিজ করার জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু সেই আবেদনও খারিজ করা হয়। নিমিশার ফাঁসির আদেশ কার্যকর হওয়া আটকাতে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয় তাঁর পরিবার। অন্যদিকে এই ঘটনার পরেই একে একে এগোতে থাকে ফাঁসির দিন। তবে কোনো ভাবেই এই আদেশ মুকুব বা বাতিলের নির্দেশ দেয়নি আদালত। তবে এবার সেই নির্দেশ এর ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিল আদালত।
সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, নিমিশার পরিবারের সদস্যেরা সম্প্রতি ইয়েমেনে মামলার অন্য পক্ষের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মতিতে একটি সমাধানে পৌঁছোনোর চেষ্টা শুরু করেছে। এর জন্য তারা যাতে আরও কিছু সময় পান, তার জন্য সব রকম চেষ্টা চালিয়েছে ভারত সরকার। বিষয়টি স্বর্শকাতর হওয়ার পরেও ভারতীয় আধিকারিকেরা ইয়েমেনের স্থানীয় কারা কর্তৃপক্ষ এবং আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তারই ফলে মৃত্যুদণ্ড আপাতত স্থগিত করানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।





