আমেদাবাদ বিমান বিপর্যয়ের রেপ্লিকা বাংলাদেশে! মৃতের সংখ্যা ৩১, আহ*ত ১৬৫

আমেদাবাদ বিমান বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে৷ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকার আকাশে উড়তে উড়তে আচমকাই দিক হারিয়ে ভেঙে পড়ে একটি স্কুল সংলগ্ন মাঠে। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ার কুণ্ডলী আর বিকট বিস্ফোরণে আতঙ্কে চমকে ওঠে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল ৮টা নাগাদ বাংলাদেশের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী, চিকিৎসক মহম্মদ সায়েদুর রহমান একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি জানান, বিমান দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩১ জনের মধ্যে ২৫ জনই শিশু। অধিকাংশেরই বয়স ১২-র কম। মৃতদের মধ্যে বাকি দু’জন হলেন বিমানটির পাইলট এবং ওই স্কুলের এক শিক্ষিকা। ওই সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ২০ জনের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসীন রয়েছেন ৭৮ জন। সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ১৬৫।
জানা যাচ্ছে বিধ্বস্ত বিমানটির মডেল ছিল F-7 BGI, যা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্যতম আধুনিক প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান। তবে সোমবার বিমানটি ওড়ার পর পরই তাতে যান্ত্রিক ত্রুটি লক্ষ করেন পাইলট। তিনি চেয়েছিলেন বিমানটিকে কোনও ফাঁকা এলাকায় অবতরণ করাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পারেননি। স্কুলের একটি ভবনের উপর ভেঙে পড়ে সেটি। তবে কী কারণে এই দুর্ঘটনা, এখনও অবধি বিস্তারিত ভাবে জানা যায়নি।
প্রসঙ্গত এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে মোদী লেখেন, “ঢাকায় এই মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন কিংবা আহত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই তরুণ শিক্ষার্থী। তাঁদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। ভারত এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।”





