বঙ্গে বর্ষামঙ্গল, টানা বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে!বুধে ভিজবে কোন কোন জেলা ?

বর্ষার মরসুমে নাজেহাল জনজীবন। তার ওপর বার বার চোখ রাঙাচ্ছে নিম্নচাপ! এবার ঘূর্ণাবর্তের পাশাপাশি মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাব বঙ্গে। জানা যাচ্ছে উত্তর বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন অঞ্চলে উচ্চচাপ যুক্ত ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে । বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অক্ষরেখা বরাবর এই ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে । পাশাপাশি, মৌসুমি অক্ষরেখা পশ্চিমে শ্রী গঙ্গানগর থেকে পুরুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে । এর প্রভাবেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে ।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর আপাতত টানা ৪ অগাস্ট পর্যন্ত কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। অপরদিকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে পুরুলিয়া ও মুর্শিদাবাদে। অপরদিকে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান এবং বীরভূমে।
ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষ, কৃষক, এবং প্রশাসনকে নিম্নচাপের জন্যে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা গাছ উপড়ে পড়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিম্নচাপের কারণে উত্তাল থাকবে সমুদ্র। উত্তর বঙ্গোপসাগরে দমকা ঝোড়ো হাওয়া ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে বইতে পারে। সেক্ষেত্রে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে উত্তরবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায় । বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাকি জেলাতেও চলবে ঝড়বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে পার্বত্য এলাকায় বাড়ছে ধসের আশঙ্কা। নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে বলে খবর।





