সিঙ্গুরে নার্সের রহস্য মৃ*ত্যু, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সিঙ্গুরের নার্স দীপালী জানার রহস্যমৃত্যু ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কল্যাণীর এইমসে চলছে তাঁর ময়নাতদন্ত উপস্থিত রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট, চলছে ভিডিওগ্রাফিও। পরিবারের দাবি, এটা আত্মহত্যা নয়, খুন। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে নার্সিংহোমের মালিক এবং মৃতার প্রেমিককে। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে রাজনীতি, একে অপরের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি।
সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের বাসিন্দা বছর চব্বিশের নার্স দীপালী জানা। কয়েকদিন আগেই সিঙ্গুরের একটি নার্সিংহোমে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু বুধবার রাতে আচমকাই ফোন আসে নার্সিংহোম থেকে। জানানো হয় যেতে হবে জরুরি কাজে। রাত ১১টার কিছু পরেই পরিবারের কাছে পৌঁছায় দুঃসংবাদ। তাঁদের জানানো হয় গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দীপালী।
তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন দীপালী। কিন্তু সম্প্রতি টানাপোড়েন চলছিল তাঁদের মধ্যে। সন্দেহভাজন হিসেবে ওই প্রেমিককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, নার্সিংহোমের মালিককেও আটক করা হয়েছে। কারণ, ঘটনার দিন দীপালীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন বলেই জানতে পেরেছে তদন্তকারীরা।
অপরদিকে ময়নাতদন্ত নিয়েও শুরু হয়েছে ব্যাপক দড়ি-টানাটানি। প্রথমে দেহ পাঠানো হয়েছিল শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে। সেখান থেকে রেফার করা হয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে। কিন্তু আপত্তি তোলে পরিবার। তাঁদের দাবি, নিরপেক্ষতার স্বার্থে কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে হোক ময়নাতদন্ত। অবশেষে পরিবারের দাবিই মানা হয়েছে। কল্যাণীর এইমসে চলছে ময়নাতদন্ত। উপস্থিত রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। সেইসঙ্গে চলছে সম্পূর্ণ ভিডিও রেকর্ডিংও।





