কাশ্মীরে জঙ্গি যোগে বরখাস্ত দুই সরকারি কর্মী, লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ

জম্মু ও কাশ্মীরে ফের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে সরকারি কর্মীদের নাম জড়াল। লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যোগসাজশ ও অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে রাজ্য সরকারের দুই কর্মীকে। লেফট্যানেন্ট গভর্নর মনোজ সিনহার নির্দেশে এই পদক্ষেপ কার্যকর হয়েছে।
অভিযুক্ত দুই কর্মীর নাম খুরশিদ আহমেদ এবং সিয়াদ আহমেদ খান। জানা গিয়েছে, খুরশিদ পেশায় শিক্ষক ছিলেন, আর সিয়াদ কাজ করতেন পশু প্রতিপালন দফতরে। দু’জনই উত্তর কাশ্মীরের বাসিন্দা। অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় সক্রিয়ভাবে অস্ত্র চোরাচালান এবং লস্কর-ই-তইবার নেটওয়ার্ককে মদত দিতেন তারা।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, খুরশিদ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এলাকায় অশান্তি ছড়ানো এবং ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হানা। এমনকি, লস্করের অস্ত্র পাচার চক্রেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে গোয়েন্দাদের দাবি।
অন্যদিকে, সিয়াদ আহমেদ খান বর্তমানে কুপওয়াড়া জেলায় বন্দি। তাকে গত ১ ডিসেম্বর ২০২৪-এ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নথি অনুযায়ী, সে লস্কর-ই-তইবার সহযোগী এবং আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মী হিসেবে কাজ করছিল। অভিযোগ, একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার মতো চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছিল সিয়াদ।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সরকারি ব্যবস্থার মধ্যে যারা জঙ্গি নেটওয়ার্ককে মদত দিচ্ছে, তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না।





