বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বাবা-মা-ছেলের দে.হ! চাঞ্চল্য হাওড়ায়

ট্যাংরাকাণ্ডের ছায়া হাওড়ায়! বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার বাবা-মা-ছেলের দেহ। সুত্রের খবর, রামরাজাতলার হাটপুকুর লেনের শিবালয় আবাসনের চারতলার ফ্ল্যাটে থাকতেন গৃহকর্তা বলরাম খাঁ (৬৫), তাঁর স্ত্রী শেলি খাঁ (৫৭) এবং একমাত্র সন্তান সম্বৃত। বলরাম খাঁ এলআইসিতে কর্মরত ছিলেন। শেলি খাঁ পোস্ট অফিসের কর্মী। ছেলে সম্বৃত একটি আইটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন।
প্রতিদিন সকালে আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দাদের সঙ্গে গল্প গুজব করতেন শেলিদেবী। এর পর পোস্ট অফিসে যেতেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল থেকে ফ্ল্যাটের দরজা না খোলায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। ফ্ল্যাটের সামনে গিয়ে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেন তাঁরা। কিন্তু কেউ সাড়া দেননি। এর পর পুলিশকে খবর দেন আবাসিকরা। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে দেখে একটি ঘরে মেঝেয় পড়ে আছে স্বামী – স্ত্রীর দেহ। অন্য ঘরে পড়ে আছেন সমিব্রত। তিন জনেরই মৃত্যু হয়েছে। এর পর দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ওই পরিবার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ফ্ল্যাটের কোথাও কোনও সুইসাইড নোট রয়েছে কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরদিকে তদন্তে জানা উঠে এসেছে প্রচুর টাকা ঋণ হয়ে গিয়েছিল ওই পরিবারের। এদিন সকালেও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী এসেছিলেন ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে। কত টাকার ঋণ ছিল, তা খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। অন্য কোথাও ঋণ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে
প্রতিবেশী ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ “সাড়ে তিন বছর আগে ওঁরা এখানে এসেছেন। কখনও বাড়িতে ঝগড়া হতে শুনিনি। ছেলেটি সবসময় চুপচাপ থাকত। ওই দম্পতিও হাসিখুশি থাকতেন। গতকালও আমাদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করেছেন। আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। কেন এমন করলেন, বুঝতে পারছি না।”





