চরম অব্যবস্থা বিজেপির রাজ্যে, টা.য়ার জ্বা.লিয়ে সৎকার রাজস্থানে

ক্লাস চলাকালিন রাজস্থানের ঝালাওয়ার জেলায় সরকারি স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ পড়ুয়ার। আর এই ট্র্যাজেডির পরেই সামনে এসেছে প্রশাসনের গাফিলতির আরও এক নির্মম উদাহরণ। মৃত এক শিশুর সৎকারের জন্য কাঠ না পেয়ে গ্রামবাসীরা বাধ্য হন টায়ার জ্বালিয়ে অন্তিম সংস্কার করতে। বিজেপি প্রশাসনের চরম উদাসীনতায় সরব বিরোধীরা।
সূত্রের খবর, গত কয়েক দিন ধরেই দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে রাজস্থানের ঝালাওয়ারে। শুক্রবার সকালে টানা বৃষ্টির জেরেই ঝালাওয়ারে পিপলোদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। আচমকা ছাদ ভেঙে পড়ায় তাতে চাপা পড়ে পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় মৃতদেহগুলি। ছজন শিশুর দেহ পিপলোদী গ্রামেই দাহ করা হয়, আর এক ১২ বছরের কন্যা মীনাক্ষী দেবীর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় পাশের চাঁদপুরা গ্রামে। কিন্তু এখানেই চরম অব্যবস্থার চিত্র উঠে আসে। বর্ষার কারণে ভেজা কাঠে আগুন ধরেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও কাঠ বা বিকল্প ব্যবস্থার উদ্যোগ না থাকায় গ্রামবাসীরা চরম অসহায় হয়ে পড়েন। শেষমেশ পুরোনো টায়ার জোগাড় করে তাতেই জ্বালানো হয় চিতা।
গ্রামবাসীরা ক্ষোভ উগরে দেন প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তাঁরা জানান, “প্রতিবছর বর্ষায় কাঠ মজুত রাখার কোনও ব্যবস্থা করা হয় না। চিতার কাঠের জন্য সরকার কোনও সাহায্যই করে না। এবার মৃতও হল ছোট মেয়ে, তার শেষযাত্রায়ও মর্যাদা রইল না।”
এই ঘটনায় সরব হয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস মুখপাত্র হেমেন্দ্র যাদব অভিযোগ তোলেন, “বিজেপি সরকার স্কুলে পরিকাঠামোর উন্নয়নে বরাদ্দ অর্থের সদ্ব্যবহার করেনি। দুর্ঘটনার পর সরকার ব্যস্ত ছিল কেস ধামাচাপা দিতে। শিশুদের দাহ করার কাঠ পর্যন্ত দেয়নি। এটা লজ্জাজনক এবং অমানবিক।”





