
লাগাতার বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর জলস্তর। এর মধ্যে সিঁদুরে মেঘ দেখছে বাংলার মানুষ। অতিরিক্ত জল ছাড়ছে ডিভিসি। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এই নিয়ে ফের সেচ দফতরের চিফ এঞ্জিনিয়ারকে চিঠি দিয়েছে নবান্ন। চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনা করে জল ছাড়া হোক।

যদিও রাজ্যের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে ডিভিসি। দাবি, জল ছাড়ার বিশয়ে CWC মারফত সেচ দফতরের আধিকারিকদের জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ইতিমধ্যে ৪৯ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। এবার ফের মোট ৫৫ কিউসেক জল ছাড়ল ডিভিসি। মাইথন থেকে ২২ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৩ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান সহ একাধিক জেলার নিচু এলাকায় প্লাবনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ সহ ঝাড়খণ্ডে লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী তিন-চার দিন ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে ঝাড়খণ্ড, বিহারে। তাই পরিকল্পনা না করে ডিভিসি জল ছাড়তে থাকলে বাঁকুড়া, হুগলির একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা নবান্নের। ধানের মরশুমে চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
উল্লেখ্য, অতিবৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে আরামবাগ-কলকাতা প্রধান সড়ক। পাশাপাশি আরামবাগের চারটি পঞ্চায়েত এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ জলের তলায়।





