বন্যায় তছনছ হিমাচল! মৃ*ত বেড়ে ৭৮, উত্তরাখণ্ডে জারি ভূমিধসের সতর্কতা

মেঘভাঙা বৃষ্টি, হড়পা, ভূমিধসে নাজেহাল হিমাচল প্রদেশ। রাজ্যটিতে দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, হড়পার কারণে মান্ডি জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মান্ডিতে হিমাচল সমবায় ব্যাংকের প্রথম তলায় ঢুকে যায় হড়পার জলকাদা। এখনও পর্যন্ত ৭৮ জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। নিখোঁজ কমপক্ষে ৩৭ জন এবং আহত ১১৫ জন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭০০ কোটি ছুঁই ছুঁই। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা হিমাচলে।
আবহাওয়া দপ্তরের তরফে ৮ ও ৯ জুলাই ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত, ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে হিমাচলের বিভিন্ন জেলায়। সিরমাউর, কাংড়া, মান্ডিতে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। এ ছাড়াও, সিমলা, সোলান, হামিরপুর, বিলাসপুর, উনা, কুলু এবং চাম্বায় জারি হয়ছে কমলা সতর্কতা।
এছাড়াও, সূত্রের খবর, জুন মাসের ২০ তারিখ বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে হিমাচল প্রদেশে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা এবং মেঘ ভাঙা বৃষ্টির কারণে প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক সাধারণ মানুষ। এমনকী ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায়। মান্ডি জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জন। দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিও হয়েছে মান্ডির। বহু রাস্তা ইতিমধ্যেই জলমগ্ন। হিমাচলের বেশ কিছু রাস্তাও ভূমিধসের কারণে বন্ধ। পাশাপাশি, দুর্যোগের কারণে একাধিক এলাকাতে বিদ্যুৎ পরিষেবাও বন্ধ। ফলে একপ্রকার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে চামোলি জেলার। এ ছাড়াও উখিমঠ, ঘানসালি, নরেন্দ্র নগর, ধনৌলটি, দুন্ডা এবং চিন্যালিসাউরে ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই অঞ্চলগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা প্রবল, যার প্রভাব পড়তে পারে স্বাভাবিক জীবনে।





