ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ছক! বি.স্ফো.রক অভি*যোগ মহুয়া মৈত্রের

বিহারের পর এবার টার্গেট বাংলার গণতন্ত্র! এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। রবিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত আগুন ঝরালেন তিনি।
মহুয়া মৈত্রের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এক গভীর চক্রান্ত রচনা করেছে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন। তাঁর আশঙ্কা, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, “বিহারে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কয়েক কোটি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এবার সেই একই ছাঁচে বাংলাকেও চালানো হবে।”
তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন যে ১১ ধরনের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পদ্ধতি চালু করতে চাইছে, তাতে সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার খর্ব হতে পারে।
বিশেষত জন্মসার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ঘিরেই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক। শুধু নিজের নয়, বাবামায়ের জন্মসার্টিফিকেটও জমা দিতে হবে প্রমাণ হিসেবে—এমন নিয়মকে ‘গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে চক্রান্ত’ বলে কটাক্ষ করেছেন মহুয়া।
তিনি আরও বলেন, “ভোটার কার্ড, আধার কার্ডের কোনও মূল্য থাকবে না। শুধু জন্মসার্টিফিকেট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে আপনি ভারতীয় নাগরিক। বাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকার, যদি এখনই মানুষ রুখে না দাঁড়ায়।”
এই প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মহুয়ার কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে শীঘ্রই আদালতের দ্বারস্থ হবেন এই নির্দেশ বাতিলের জন্য।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা—গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় কোনওরকম আপস করা হবে না। বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় আন্দোলনে নামবে দল।





