Breaking Newsরাজ্য

পাটনার গ্যাং*স্টার খু*নে বাংলাযোগ! নিউটাউনের পর এবার আনন্দপুর থেকে আটক ৫

পাটনার হাসপাতালের আইসিইউয়ে ঢুকে গুলি চালানোর ঘটনায় শনিবারেই সামনে আসে বাংলাযোগ। শনিবার নিউ টাউনের একটি আবাসন থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর রবিবার আনন্দপুর থেকে আটক আরও ৫। এই ৫ জনের সঙ্গে এক মহিলাও ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে পাটনা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত আটক করা হল ১১ জনকে।

সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার, পাটনার নামী প্যারাস হাসপাতালে ঢুকে একদল ব্যক্তি আইসিইউ-তে গুলি চালিয়ে খুন করে চন্দন মিশ্র নামে এক গ্যাংস্টারকে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাঁচজনের একটি দল চুপচাপ হাসপাতালের করিডরে ঢুকছে। সামনে তৌসিফ, হাতে বন্দুক। বাকিরা গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেলেও, তৌসিফ বেরিয়ে যায় একইভাবে, অনায়াসে, যেন কিছুই হয়নি। সেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর তদন্ত চালিয়ে নিউ টাউনে একটি আবাসন থেকে ওই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর রবিবার আনন্দপুর থেকে আটক করা হয় আরও ৫ জনকে। আটক অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনের নাম হরিশ সিং ইউনিস খান ও তৌসিফ ওরফে তৌফিক।

পুলিশ সূত্রের খবর, খুনের পর পাটনার হাসপাতাল থেকে একটি সাদা রঙের গাড়ি করে খুনিরা পালিয়ে যায়। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের একটি টোল প্লাজার সিসিটিভির ফুটেজে ওই গাড়িটির ছবি ধরা পড়ে। সেই সূত্রের খবর পেয়ে রাজ‌্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা হাইওয়ের বেশ কিছু ফুটেজ ধরে জানতে পারে, সেটি পূর্ব কলকাতার আনন্দপুরের একটি নামী বহুতল আবাসনে প্রবেশ করেছে। কিন্তু ওই আবাসনে তল্লাশি চালিয়ে গাড়িটির সন্ধান মেলেনি। সিসিটিভি ফুটেজ এর মাধ্যমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িটি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ফের যায় আনন্দপুরের একটি গেস্ট হাউসে। তার সামনে থেকেই গাড়িটির সন্ধান মেলে। তারই সূত্র ধরে গেস্ট হাউসের ভিতর থেকে ৫ আরোহীকে আটক করে এসটিএফ। গেস্ট হাউসের মালিক জানিয়েছেন, এই ৫ জনের সঙ্গে একজন মহিলাও ছিলেন তাঁকেও আটক করেছে পুলিশ।

পিটিআইকে পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “পাটনার ঘটনার পরে অভিযুক্তেরা সেখান থেকে পালিয়ে কলকাতায় চলে এসেছিলেন। এই অভিযানে আটক হওয়া পাঁচ অভিযুক্তের দু’জন একটি নামী বেসরকারি বিশ্ববিদ‌্যালয়ের ছাত্র। বাকিরা কাজ করে। গত কয়েক মাস ধরে তারা সাপুরজি আবাসনের একটি ফ্ল‌্যাটে ভাড়া থাকত। ”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button