Breaking Newsমহানগর

জোকা আইআইএমে বেহুঁশ করে ধর্ষণ! চাঞ্চ.ল্যকর অভি*যোগ নি.র্যা.তি.তা.র বাবার

কর্মক্ষেত্রের পর এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর ধর্ষণের শিকার তরুণী। শনিবার আইআইএম জোকা ক্যাম্পাসে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে তোলপাড়। কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত ওই ম্যানেজমেন্ট শিক্ষাকেন্দ্রের বয়েজ হস্টেলে এক তরুণীকে ডেকে এনে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে। অপরদিকে যৌন নির্যাতন বা হেনস্থার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করলেন তরুণীর বাবা। সেক্ষেত্রে ঘনাচ্ছে রহস্য।

সূত্রের খবর, শুক্রবার কাউন্সেলিংয়ের নাম করে নির্যাতিতাকে ডাকা হয়। এরপর অন্য কাজ আছে বলে তাঁকে বয়েজ হস্টেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে পিৎজা এবং জল খেতে দেয় দ্বিতীয় বর্ষের ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়া। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁর শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে। তবে অভিযুক্ত যুবক তাঁকে শৌচালয়ে যেতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এরপর আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন তিনি। সেই অবস্থায় তাঁর উপর চলে শারীরিক নিগ্রহ। ধর্ষণ করা হয় তাঁকে। এমনকী জ্ঞান ফিরলে প্রতিরোধ করতে গেলে তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পরবর্তীতে ঘটনার রেশ কাটিয়ে উঠে তিনি ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার রাতেই পুলিশ ক্যাম্পাসে গিয়ে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে। তারপর এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র পরমানন্দ ওরফে রাহুল জৈনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে আরও চারজনের। তাঁদের মধ্যে একজনকে আটক করেছেন তদন্তকারীরা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অপরদিকে শনিবার ধর্ষণ প্রসঙ্গে চাঞ্চল্যকর দাবি জানালেন নির্যাতিতার বাবা। এদিন দুপুর ১টা নাগাদ তিনি সংবাদমাধ্যমে দাবি করেন, শুক্রবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে তিনি মেয়ের ফোন পান। জানতে পারেন, মেয়ে অটো থেকে পড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং জ্ঞান হারিয়েছেন। প্রথমে মেয়ে কোথায় আছে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। পরে জানতে পারেন, এসএসকেএম হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে রয়েছেন তিনি। তরুণীর বাবা বলেন, ‘পরে জানতে পারি যে হরিদেবপুর থানা ওকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে।’ মেয়ের সঙ্গে ধর্ষণের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button