‘স.ন্ত্রাস.বাদ মানবতার জন্য ক্ষতিকর’, ব্রিকস সম্মেলনে সুর চড়ালেন মোদি

ব্রাজিলের রিও-ডি-জেনিরোতে চলছে ব্রিকস সামিট। সেখানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ১৭ তম ব্রিকস সম্মেলনের ‘শান্তি ও নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক শাসনের সংস্কার’ বিষয়ক আলোচনাসভায় হেলগাঁও হামলা নিয়ে সরব হন তিনি। এদিন মোদি বলেন ‘সন্ত্রাসবাদ মানবতার জন্য ক্ষতিকর’।
ব্রাজিলের রিও-ডি-জেনেইরোতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখে শোনা গেল পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘পহেলগাঁওতে যে হামলা হয় তা শুধুমাত্র ভারতের উপর নয়, এটি মানবতার উপর আঘাত। সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয়ে দুমুখো নীতির কোনও স্থান নেই। যদি কোনও দেশ সন্ত্রাসবাদকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন করে, তবে তাকে অবশ্যই এর মূল্য চোকাতে হবে। আমরা সন্ত্রাসবাদের শিকার এবং এর সমর্থকদের একই মাপকাঠিতে বিবেচনা করতে পারি না। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থে সন্ত্রাসবাদকে যে কোনও নীরব সমর্থন বা অনুমোদন কোনও মতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
অপরদিকে ব্রিকস সামিট চলাকালীন বড়সড় ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ব্রিকসের সঙ্গে যেসমস্ত দেশ জড়িয়ে থাকবে তাদের উপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত কর চাপানো হবে। নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প পোস্ট করেন ‘ব্রিকসের আমেরিকাবিরোধী নীতির সঙ্গে যে দেশ যুক্ত থাকবে তাদের উপর আরও ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হবে। কোনওভাবেই এই নীতি পালটানো হবে না, কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। সকলকে অনেক ধন্যবাদ।’ তবে আমেরিকাবিরোধী নীতি বলতে ঠিক কী, সেই প্রশ্নের জবাব মেলেনি ট্রাম্পের পোস্টে।
প্রসঙ্গত, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবার বিকেলে ব্রাজিলে পৌঁছন মোদি। রবিবার সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে দক্ষিণ গোলার্ধের উন্নয়নশীল এবং স্বল্প উন্নত দেশগুলির প্রতি ‘বঞ্চনা’ হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দাবি করেন মোদি। তিনি জানান, গ্লোবাল সাউথের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। পরে এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে মোদি লেখেন, “গ্লোবাল সাউথকে ছাড়া আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলি যেন এমন একটি মোবাইল ফোন, যার সিম আছে কিন্তু নেটওয়ার্ক নেই।” এর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ব্রিকসের সদস্যদের উপর শুল্কবাণ ছোঁড়েন ট্রাম্প।





