দিল্লি আদালতে জয় তৃণমূলের, খারিজ হল ডেরেকদের বি.রু.দ্ধে মামলা

দিল্লি আদালতে জয় তৃণমূলের। খারিজ হল ডেরেকদের বিরুদ্ধে মামলা। দিল্লি পুলিশের তরফে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়ান, সাংসদ নাদিমুল হক, সাকেত গোখলে, দোলা সেন, সাগরিকা ঘোষ-সহ ১০ জন প্রতিনিধির বিরুদ্ধে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই মামলা খারিজ করে দিল রাউস অ্যাভিনিউ আদালত।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির ‘অপব্যবহার’ এবং বিজেপির সঙ্গে তাদের যোগসাজশয়ের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের সামনে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজধানী দিল্লির নির্বাচনী কমিশন ভবনের সামনে আয়োজিত সেই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়ান, সাংসদ নাদিমুল হক, দোলা সেন, সাকেত গোখলে, সাগরিকা ঘোষ-সহ দলের ১০ জন সদস্যের প্রতিনিধিদল।
এই ঘটনার জেরে দিল্লি পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ‘জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি’ এবং ‘অনুমতি ছাড়াই জমায়েত করার’ অভিযোগে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত সেই মামলাটি খারিজ করে দেয়। বিচারক স্পষ্ট ভাষায় বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যেই পড়ে এবং তাতে ফৌজদারি মামলা দায়েরের যথেষ্ট কারণ নেই।
এই প্রসঙ্গে এই রায় আবারও দেখিয়ে দিল যে বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করতে গিয়ে বিজেপি প্রশাসন বিচারব্যবস্থার চোখে ধরা পড়ছে। তৃণমূলের মতে দিল্লির ধর্না ছিল প্রতীকী প্রতিবাদ, যেখানে সাংসদরা শান্তভাবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁদের দাবি জানিয়েছিলেন—এই রায় সেই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে সিলমোহর দিল।
আদালতের এই রায় প্রকাশ্যে আসতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় মহাসচিব কুণাল ঘোষ বলেন, “যা বলেছিলাম, তাই প্রমাণিত হল। আমরা আইন মেনেই আন্দোলন করেছিলাম। বিজেপি-প্রভাবিত পুলিশ আমাদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু আদালত সত্যের পাশে দাঁড়িয়েছে।”





