ট্রাম্পের নজরে ভারত-পাকিস্তান, বিস্ফোরক দাবি আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রীর

ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক আলোচনাসভায় তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের গতিবিধির উপরে আমেরিকার কড়া নজর রয়েছে। তাঁর কথায়, “প্রতিদিন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কী ঘটছে, তা আমরা লক্ষ্য রাখি। যুদ্ধবিরতি তখনই সম্ভব, যখন উভয় পক্ষ তাতে রাজি হয়।”
রুবিও আরও বলেন, শুধুমাত্র যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী শান্তির জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সমাধান। তিনি উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর বক্তব্য, “দীর্ঘ সংঘাতের পরে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা কঠিন হয়ে যায়। তাই শান্তির জন্য এমন এক সমাধান প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে আর নতুন সমস্যা তৈরি না হয়।”
প্রসঙ্গত, একাধিকবার ট্রাম্প বলেছেন, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলা ও বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক, রিসেন্ট পহেলগাঁও হামলায় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয় তা ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ঠিক হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর কারনেই দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ সীমান্তে যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম হয়।
তবে নয়াদিল্লি বরাবরই এই দাবি নাকচ করেছে। ভারতের অবস্থান স্পষ্ট—কাশ্মীর সীমান্তে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সিদ্ধান্ত ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই হয়েছে, তৃতীয় কোনও দেশের হস্তক্ষেপ ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর পর্যন্ত বারবার বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ‘দ্বিপাক্ষিক’ বিষয়, এতে বাইরের কারও ভূমিকা নেই।





