নয়া শ্রম আইনের দাবিতে ধর্মঘট বামেদেরবিক্ষিপ্তভাবে অশান্তি দেশ জুড়ে!

নয়া শ্রম আইন-সহ ১৭ দফা দাবিতে বন্ধের ডাক দিয়েছে শ্রমিক সংগঠন। ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির সঙ্গে এই বন্ধকে সমর্থন দিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। দেশ জুড়ে চলছে রাস্তা অবরোধ, ট্রেন অবরোধ। এই বনধে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বাংলা-সহ গোটা দেশে এই বন্ধের ব্যাপক প্রভাব দেখা গেল সকাল থেকে। ট্রেন অবরোধের পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় হাইওয়ে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক, ডাক-সহ বহু পরিষেবা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে বিহারের বিরোধী দল আরজেডির ছাত্র শাখা জাহানারাবাদে ট্রেন অবরোধ করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয়। এই বন্ধের সঙ্গেই বিহারে ভোটার লিস্ট সংশোধন ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল হয়েছে কংগ্রেস ও আরজেডি। তেজস্বী যাদবের পাশাপাশি রাহুল গান্ধীও যোগ দিচ্ছেন এই বন্ধে। এছাড়াও এই বন্ধের ব্যাপক প্রভাব দেখা গিয়েছে বাম শাসিত কেরলে। কোনওরকম হামলা থেকে বাঁচতে হেলমেট মাথায় এখানে বাস চালাতে চালকদের।

তবে দেশের বাকি অংশে বন্ধের ব্যাপক প্রভাব পড়লেও খুব একটা প্রভাব দেখা যায়নি রাজধানী দিল্লিতে। সকাল থেকে কিছুটা ট্রাফিকের সমস্যা থাকলেও স্বাভবিক রয়েছে যান চলাচল। এই বন্ধ প্রসঙ্গে শ্রমিক সংগঠনগুলির অভিযোগ, শ্রমিক-কৃষকদের স্বার্থ বিরোধী এই সরকার। সরকারের একের পর এক নীতি তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে। বার বার বলা সত্ত্বেও সরকার তাদের কথা কানে তুলছে না।
প্রসঙ্গত, এই বন্ধ সমর্থকদের মূল অভিযোগ কেন্দ্র সরকার শ্রমিক ও কৃষকদের কথা শুনছে না। নতুন শ্রম আইন শ্রমিকদের বিপদে ফেলছে, কাজের সময় বেড়ে যাচ্ছে, চাকরি নিরাপদ থাকছে না, কম বেতন দেওয়া হচ্ছে, বড় বড় কোম্পানিদের সুবিধা করে দিচ্ছে সরকার। শ্রমিক নেতারা বলছেন, সরকার গত ১০ বছরে কোনও জাতীয় শ্রম সম্মেলন পর্যন্ত ডাকেনি।





