
বাঁকুড়ায় তৃণমূল নেতা সেকেন্দার খান খুনের ঘটনায় পুলিশের জালে ধরা পড়ল আরও তিন অভিযুক্ত। বুধবার ভোররাতে আলাদা আলাদা জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাদের। শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকা থেকে ধরা পড়ে বাপি খান নামের এক দুষ্কৃতী। নিউ জলপাইগুড়ি থানা ও বাঁকুড়া থানার যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, কাটোয়ার ফেরিঘাট থেকে বাদশা খান ও মনবত খান নামে দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে কাটোয়ার ফেরিঘাট থেকে বাদশা খান ও মনবত খানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা ডেরা বদলাছিল সেই সময় গ্রেফতারি। এই দু’জনকে গ্রেফতারের পরই তথ্য পেয়ে উত্তরবঙ্গ থেকে বাপি খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বাঁকুড়া নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে, বাদশা খান ও মনবত খানকে বাঁকুড়া আদালতে পেশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে সোনামুখীর চকাই এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন সেকেন্দার খান। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কনভেনার ছিলেন। তদন্তে নেমে এর আগে ইব্রাহিম শেখ ও নাসিম শেখ নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই মূল সূত্রে পৌঁছয় তদন্তকারীরা।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আগে থেকে পরিকল্পনা করে এবং রেইকি চালিয়েই খুনের ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সন্ধেয় সেকেন্দার খান বাজার এলাকায় বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন। সেই অভ্যাসকেই টার্গেট করে সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে বাইকে চেপে আসে দুষ্কৃতীরা। কাছ থেকে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয়। মাথা ও পিঠে গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতার।





