নিটের রেজাল্ট বেরোনোর পর আশাহত হরিহরপাড়ার যুবক সুয়েব। ওএমআর-এ ছিল ৬৩৪ নম্বর। অথচ রেজাল্ট বেরোতে মিলল মাত্র ১২ নম্বর।

নিট পরীক্ষার ফল প্রকাশে দেখা দিল এক চাঞ্চল্যকর বিপর্যয়। ওএমআর উত্তরপত্র অনুযায়ী তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৩৪, অথচ জাতীয় পরীক্ষার্থীদের চূড়ান্ত রেজাল্টে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর দেখানো হয়েছে মাত্র ১২! এই চরম বৈপরীত্যে হতবাক শুধু সুয়েব নয়, তাঁর পরিবার-পরিজন, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
সুয়েব জানান, তিনি বিগত এক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষে ওএমআর শিট এবং উত্তরকী অনুযায়ী নিজের নম্বর গণনা করে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন উচ্চ স্কোর নিয়ে। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের দিন পুরো স্বপ্নভঙ্গ হয়।
এ প্রসঙ্গে সুয়েব বলেন, “আমি নিজে ওএমআর দেখে ৬৩৪ নম্বর হিসাব করেছিলাম। কিন্তু রেজাল্টে মাত্র ১২! এটা একটা বিশাল ভুল। এটা আমার কেরিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে।”
পরিবারের পক্ষ থেকেও ইতিমধ্যে জাতীয় পরীক্ষার্থী সংস্থা (NTA)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, যদি প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থও হতে হয়, তারা পিছপা হবেন না।
স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রবল আলোড়ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সুয়েবের মতো আরও অনেক ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ হয়তো এই ধরনের ভুলের কারণে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের নিট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরেই সারা দেশজুড়ে একাধিক গরমাগরম বিতর্ক শুরু হয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত নম্বর, কোথাও উত্তরপত্রে গরমিল— এইসব অভিযোগে ইতিমধ্যেই তদন্ত দাবি করেছে বিভিন্ন শিক্ষানুরাগী সংগঠন।
এখন দেখার বিষয়, সুয়েবের এই অভিযোগে এনটিএ কতটা গুরুত্ব দেয় এবং কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেন আর কোনো রকম ভুল না হয়, সেই দাবি উঠছে সর্বত্র।





