দিলীপ-শমীক দ্ব.ন্দ্ব! রূপরেখা বদলাচ্ছে পদ্ম শিবিরের?

এবার বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি পেল বাংলা। বাংলায় শুরু হল শমীক যুগ। বৃহস্পতিবার তাঁকে স্বাগত জানাতে সায়েন্স সিটিতে আয়োজন করা হয়েছিল সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের। কিন্তু সেখানেই ডাক পাননি বিজেপির অন্যতম প্রধান সংগঠক, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপরেই শোনা যাচ্ছে শমীক ও দিলীপের মধ্যে নতুন আঁতাত তৈরি হওয়ার গল্প। এই পরিস্থিতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা এই পরিস্থিতিতে আগামীদিনে বঙ্গ বিজেপিতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমার বদলে আরও তীব্র হবে।
অপরদিকে শমীক সভাপতি পদে বসার পরেই অন্য সমীকরণ নিয়ে জল ঘোলা হচ্ছে পদ্ম শিবিরে। জানা যাচ্ছে, শমীকের সভাপতি হওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ বঙ্গ বিজেপির দুই শক্তিশালী গোষ্ঠী সুকান্ত লবি ও শুভেন্দু লবি। সুকান্ত লবির আশঙ্কা, শমীকের জামানায় তাদের প্রভাব কমবে। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষুব্ধ হওয়ার কারন হিসেবে দুজনের মতপার্থক্যের কথা তুলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এমনকি এই মতপার্থক্যের ছবি দেখা গেছে বৃহস্পতিবার শমীক বরণ অনুষ্ঠানে। সেদিন সায়েন্স সিটির ভরা প্রেক্ষাগৃহে সরাসরি শুভেন্দুর চড়া হিন্দুত্বের লাইনের উল্টো কথা বলে সংখ্যালঘুদের সমর্থন চান শমীক।
প্রসঙ্গত, বঙ্গ বিজেপির এই জটিল সমীকরণের মাঝে নয়া জল্পনাও তৈরি হয়েছে। তৃণমূলে যাবে বলেও খবর উড়ছে রাজনৈতিক মহলে। এই আবহেই ফের একবার জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কল্পনা করতে তো পয়সা লাগে না। অনেকেই করছে। ২১ তারিখ পর্যন্ত কল্পনার ডেট দেওয়া হয়েছে। তারিখ পে তারিখ। কিছু একটা মার্কেটে থাকে। দিলীপ ঘোষ মার্কেটে আছে।”
পাশাপাশি, তৃণমূযে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পার্টি ঠিক করবে। ভগবানের খাতায় লেখা আছে। আমাকে বিজেপি নিয়ে এসে একটা জায়গা দিয়েছিল। আমি নিজে থেকে আসিনি। পার্টি চেয়েছে তাই আমি এসেছি। পার্টি আমাকে রাজ্য সভাপতি করেছে, বিধায়ক করেছে, সাংসদ করেছে, জাতীয় নেতা করেছে। আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। পার্টি আমাকে গাড়ি দিয়েছে, সিকিউরিটি দিয়েছে। আমি নিজে এগুলোর কোনওটাই চাইনি। পার্টি যদি মনে করে আমি এখন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাহলে তাই করব।”





