Breaking Newsদেশ

হরপা বানে বি*পর্য*স্ত ধরালী ও হর্ষিল উপত্যকা!

হরপা বানের গ্রাসে উত্তরকাশীর ধরালী গ্রাম এবং হর্ষিল উপত্যকা। পাহাড় থেকে সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত হয়ে ক্ষীরগঙ্গা ধরে নেমে আসে হড়পা বান। সঙ্গে বয়ে নিয়ে আসে বিশাল বিশাল পাথর, বোল্ডার আর কাদার স্রোত। আর সেই পাথর, কাদা আর জলের স্রোতে একের পর এক বাড়ি, হোটেল নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মঙ্গলবার এমনই এক ভয়ঙ্কর এবং শিরদাঁড়া বেয়ে হিমশীতল স্রোত বয়ে যাওয়ার মতো দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে গোটা দেশ।

মেঘভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে এখনও বিপর্যস্ত উত্তরকাশী। ধারাবাহিক বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উদ্ধারকার্য।একাধিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জলের তোড়ে বাড়ি ভেসে গিয়েছে। হরপা বানের জেরে এখনও বহু মানুষ আটকে পড়ে রয়েছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ। এমনকী হেলিকপ্টার পর্যন্ত ল্যান্ড করতে পারছে না। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য শুরু হলেও তা টানা বৃষ্টির জন্য বাধা পেয়েছে। এর মধ্যেই হরিদ্বার, নৈনিতাল ও উধম সিং নগরে বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্য অঞ্চলগুলিতে রয়েছে কমলা সতর্কতা।

দেরাদুনের স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। এছাড়া নৈনিতাল, তেহরি, চামোলি, রুদ্রপ্রয়াগ, আলমোরা বা বাগেশ্বর জেলা কার্যত অবরুদ্ধ। উত্তরাখণ্ড জুড়ে অন্তত ১৬৩টি রাস্তা বন্ধ। তার মধ্যে আছে পাঁচটি জাতীয় সড়ক ও সাতটি রাজ্য সড়ক। রাজধানী দেরাদুন থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরের দুটি সীমান্তবর্তী সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গমস্থানে উদ্ধারকার্য চালাতে আরও সমস্যা হচ্ছে।

উত্তরকাশীর হর্ষিল উপত্যকায় ধরালী গ্রাম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০৫ ফুট উঁচুতে এই গ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য খুবই জনপ্রিয়। হর্ষিল এবং গঙ্গোত্রীর মাঝে পড়ে এই গ্রাম। হর্ষিল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে। পাহাড় থেকে ক্ষীরগঙ্গা ধরে নেমে আসা হড়পা বানের পথে বাঁক থাকায় সেটি বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হড়পা বানের গতিপথ বদলে গিয়েছিল। ভাগীরথীর ধারে রয়েছে হর্ষিল হেলিপ্যাড, সেনাছাউনি, ধরালী গ্রাম, কল্প কেদার মন্দির।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button