স্বেচ্ছা মৃ.ত্যু.র অনুমতি বা শাস্তি মকুবের দাবি শিক্ষকদের

আন্দোলনের ৩৫ তম দিনে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হতে চলেছে চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা। রাষ্ট্রপতিকে চিঠি পাঠিয়ে এবং মেইল করে চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাঁদের চাকরি ফেরত পাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। সিবিআইয়ের তদন্তে যোগ্য চাকরি প্রার্থী প্রমাণিত হওয়ার পরেও চাকরি ফেরত পাননি। এমনকি, এখনও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী শাস্তি পেয়ে চলেছেন তাঁরা। এই কারণে বর্তমানে তাঁরা তাঁদের চাকরি ফেরত পাওয়ার আশায় ভারতের রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন।
চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক মিসবাউল হোসেন জানিয়েছেন, “আমাদের ন্যায়বিচার চাই। তা না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর আদেশ দেওয়া হোক। আমরা অন্যায় না করেও কেন শাস্তি পাচ্ছি?” চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশের আরও দাবি, চাকরিহারাদের জন্য যে রায় দেওয়া হয়েছে, তাতে আইন ব্যবস্থার উপর ভরসা উঠে যাচ্ছে। তাই দ্রুত রিভিউ পিটিশনের ব্যবস্থা করা হোক।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এই রাজের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে। অযোগ্যদের পাশাপাশি যোগ্য হাজার হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি চলে গিয়েছে। চাকরি ফেরতের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে চাকরিহারা শিক্ষকদের অনেকেই বলতে শুরু করেছেন পরীক্ষায় বসতে তাঁরা রাজি নন। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি এরপর কোন দিকে যায় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন অনেকেই।





