IIM জোকা কাণ্ডে কেন পুলিশ হেফাজত? বাড়ছে জল্পনা!

দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জোকা আইআইএমের হস্টেলে ধর্ষণের অভিযোগ ঘটনা নিয়ে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ঠিক কী ঘটেছিল? এবার সেই সত্য অনুসন্ধানে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এই ঘটনা নিয়ে একদিকে অভিযোগকারীনির বাবার দাবি তাঁর মেয়ের উপর কোনও নির্যাতন হয়নি, অন্যদিকে আক্রান্ত তরুণী নিজেই ধর্ষণের কথা জানিয়েছেন! তাই এবার সব ধোঁয়াশা সত্যি মিথ্যে যাচাই করতে এবার বিশেষ তদন্তকারী দলেই আস্থা রাখছে লালবাজার। রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি সিটের সদস্যরা নির্যাতিতার সঙ্গেও কথা বলতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ কমানোর আর্জি জানিয়ে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালতে আবেদন করতে চলেছেন অভিযুক্তর আইনজীবী। কিন্তু কেন হেফাজতের মেয়াদ কমানোর আর্জি?
অভিযুক্তের আইনজীবীর বক্তব্য, ঘটনার পরের দিনই নির্যাতিতার বাবার বক্তব্য ছিল তাঁর মেয়ের সঙ্গে এমন কিছু ঘটেনি। পরিবার ও নির্যাতিতা মেডিকো লিগ্যাল পরীক্ষায় এখনও সম্মতি দেননি। এই পরিস্থিতিতে কেন অভিযুক্তকে এতদিন পুলিশ হেফাজতে রাখা হচ্ছে? প্রশ্ন তুলছে অভিযুক্তের আইনজীবী।
উল্লেখ্য, মূল অভিযুক্ত আইআইএম ক্যালকাটা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। হরিদেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ছাত্রী। হস্টেলে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ঠান্ডা পানীয় খাইয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। এবার তদন্ত করতে গঠন করা হয়েছে সিট।





