BlogLife Style

রোজ একটু আদা চা! আর তাহলেই কেল্লাফতে!

প্রতিদিন দু’চার কাপ চা পান করতে কে না ভালোবাসেন? শত ব্যস্ততার মাঝে, ক্লান্তিতে অথবা আলসেমিতে, গল্পে-আড্ডায়, বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নে কিংবা অফিসের ব্যস্ততায় এবং সাধারণভাবে দিনের যে কোনো সময় চায়ের কাপে ঠোঁট ছোঁয়াতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। অনেকে তো এক কাপ চা পান না করে সকালটা শুরুই করতে পারেন না। কারণ এক কাপ চায়ের সঙ্গে দিনের শুরুটা যেমন সুন্দর হয়, তেমনি সারা দিনের কাজের মাঝে এক কাপ চা শরীরের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়। চা তৈরির পদ্ধতি নিয়ে ইয়ত্তা নেই। কারও পছন্দ কড়া চা, কারও হালকা লিকার, কারও রং চা তো কারও দুধ-চিনি ছাড়া চা মুখেই রোচে না। কম-বেশি সব ধরনের চায়েই রয়েছে নানা উপকারিতা। তবে সেই চায়েই যদি মিশিয়ে নেন একটু আদা তাতেই হতে পারে কেল্লা ফতে। পেতে পারেন অনেক উপকার।

নিয়মিত আদা দিয়ে যদি চা পান করা যায়, তাহলে আমাদের হার্ট ভালো থাকতে পারে। এছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এই চা। এই চা রক্ত জমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ করে কোলেস্টেরল কম করে এবং রক্ত সঞ্চালন আগের থেকে বৃদ্ধি করে।

আদাতে এমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা,আমাদের রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও আমাদের স্ট্রেস অনেক কমিয়ে দেয় আদা চা।আমরা অনেকেই কমবেশি মানসিক অবসাদে ভুগে থাকি। ব্যস্ত কর্মজীবন এবং সাংসারিক চাপ থাকার ফলে আমাদের মানসিক অবসাদের শিকার হতে হয়। আদার করা গন্ধ এবং স্বাদ সেই টেনশন দূর করে দেয়। অম্লতার বিরুদ্ধে খুব ভালো লড়তে পারে আদা-চা। মাত্র এক কাপ আদা-চা মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমিয়ে দিতে পারে। মোশন সিকনেস বা গতিজনিত অসুস্থতার জন্য উপকারী হতে পারে এক কাপ আদা-চা। ভ্রমণের আগে আপনি যদি এক কাপ আদা-চা খেয়ে নেন, তাহলে মোশন সিকনেসের কারণে বমি বমি ভাব কমে যাবে।

এ ছাড়া মাথাব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর এই চা।
আদা চা তে থাকে অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল। এগুলি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ধমনী চারিপাশে মেদ জমতে দেয়না। এছাড়া পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে এই আদা চা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, চায়ের সঙ্গে যদি আদা যুক্ত হয়, তাহলে এর উপকারিতা বাড়ে কয়েক গুণ। কারণ আদায় রয়েছে জীবাণুরোধী উপাদান। রোগ-জীবাণু ঠেকায়। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আদা-চা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button