প্রভুর ফিরতি যাত্রায় দিঘায় লোকারণ্য, আঁটসাঁট নিরাপত্তায় মুড়েছে সৈকতনগরী

উইকএন্ডে উল্টোরথ। মাসির বাড়ি থেকে আজ, শনিবার মন্দিরে ফিরবেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। মাসির বাড়িতে আদর আপ্যায়নের পর এবার জগন্নাথ- বলরাম- সুভদ্রা যাবেন নিজের বাড়িতে। ইতিমধ্যেই প্রভুর ফিরতি যাত্রার সমস্তরকম আয়োজন শেষ করে ফেলেছেন দিঘা জগন্নাথ মন্দির ট্রাষ্ট কমিটি ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। ভিড় জমতে শুরু করেছে শহরে। আঁটোসাট নিরাপত্তা সৈকতনগরী জুড়ে। উইকএন্ডে স্বাভাবিক ভাবেই ভিড় বেশি হবে বলেই মনে করছে পুলিশ, প্রশাসন। বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে রাস্তার দু’পাশ। জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য জানান , ‘শুক্রবার বিকেল থেকে ওল্ড দিঘায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাইপাস হয়ে নিউ দিঘা পর্যন্ত যান চলাচল করবে।’
শনিবার দুপুরে মহাপ্রভুকে রাজভোগ দেওয়ার পর, ২টো নাগাদ মাসির বাড়ি থেকে রথের দড়িতে টান পড়বে। দিঘা মূল মন্দিরে পৌঁছনর পর নিয়ম নেমে তিনদিন রথেই থাকবেন তিন-ভাই বোন। সেখানে পুজোপাঠ হবে। মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথ মন্দির পর্যন্ত সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এলাকা। ড্রোনের সাহায্যেও চলবে নজরদারি। তাছাড়া ওয়াচটাওয়ার থেকেও নজরদারি চালানো হবে। পর্যটকদের যাতে কোন সমস্যা না হয় তারজন্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা সকাল থেকেই মোতায়েন থাকছেন।
সাধারণত দেখা যায় শনি ও রবিবার দিঘায় পর্যটকের ভিড় বেশি থাকে। তার উপর উলটো রথ শনিবার। যার জেরে রথযাত্রার থেকেও উলটো রথে আরও বেশি ভিড় হতে পারে অনুমান পুলিশের। শুক্রবার বিকেল থেকেই পর্যটকদের ভিড় জমতে শুরু করেছে সমুদ্রপাড়ে।
ইতিমধ্যেই অধিকাংশ হোটেল হাউসফুল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী দিঘায় এসে পৌঁছেছেন। বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু,অর্থ মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিষ চক্রবর্তী দিঘায় পৌঁছেছেন। সৈকতপাড়ের দায়িত্বে থাকা ডিএসপি ডি এন্ড টি আবুনূর হোসেন জানান , উলটো রথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বাঁশের ব্যারিকেডের ওপাশে দর্শনার্থীরা থাকবেন। সিসি ক্যামেরা, ড্রোনে নজরদারি চলবে। জরুরি কোনও সমস্যা হলে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও থাকছে।





