ফের এন্ট্রি নিচ্ছে নিম্নচাপ! ৯ জেলায় ভারী বৃষ্টির আশ.ঙ্কা

ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের হাত ধরে ফের ভিজবে বাংলা ৷ বেশ কিছু জেলা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস ৷ জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ। তার প্রভাব পড়তে চলেছে সরাসরি দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর বৃহস্পতিবার থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণের জেলাগুলিতে বাড়বে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ।
জানা যাচ্ছে পশ্চিম-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওপর 3.1 থেকে 5.8 কিলোমিটার ওপরে বায়ুমণ্ডলের উপরিস্তরে ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে । মৌসুমী অক্ষরেখা ফিরোজপুর, কর্নাল, মীরাট, বারাণসী, জামশেদপুর ও দিঘা হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে । উত্তর বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে 24 থেকে 28 জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হতে পারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি। জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। কলকাতা-সহ দক্ষিণের বাকি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেখানে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।
বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দিনভর আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তাল থাকবে সমুদ্র। সে কারণে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার অনুরোধে শুরু হয়েছে মাইকিং ৷ এছাড়াও মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকেও মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে আগামী চার দিন মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে । ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্যোগ মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি । উপকূল তীরবর্তী এলাকায় যে সকল জায়গায় মাটির নদী বাঁধ রয়েছে সেখানে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে । মাটির বাড়িতে থাকা মানুষজনদের স্থানীয় ত্রাণ শিবিরে যাওয়ার জন্য ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে । মজুত রাখা হয়েছে পানীয় জল ও শুকনো খাবার ।
অপরদিকে উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে আগামী দিন চার-পাঁচ ধরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দুই পার্বত্য জেলায় জারি হয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। উপকূলবর্তী ও পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস। প্রয়োজনীয় হলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অনুরোধও জানানো হয়েছে।





